স্বাস্থ্যসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত কাপাসিয়ার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সারাদেশে প্রথম স্থান অর্জন

বার্তাকক্ষবার্তাকক্ষ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৭:৪৬ PM, ১০ অক্টোবর ২০২০

নুরুল আমীন সিকদার, গাজীপুর প্রতিনিধি:

কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হেলথ মিনিস্টার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ অর্জন করেছে। সারা বাংলাদেশের ১০ টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মধ্যে কাপাসিয়া ১ম স্থান অর্জন করেছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে (৮ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার প্যান প্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁও অনুষ্ঠানে সনদ ও হেলথ মিনিস্টার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার প্রদান করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপির কাছ থেকে সনদ ও হেলথ মিনিস্টার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার গ্রহণ করেন কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা: আব্দুস সালাম সরকার।

এ সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের
ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তা সহ সারাদেশ থেকে আশা বিভিন্ন উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি’র সার্বিক সহযোগীতায় মাতৃমৃত্যু প্রতিরোধে ২০১৭ সাল থেকে প্রকল্পের আওতায় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার মোহাম্মদ আব্দুর রহিম উদ্ভাবিত গর্ভবতী আয়না ও গর্ভবতী গয়নার নামের অ্যাপসের যাত্রা শুরু হয়। ৩৭টি তথ্য সম্বলিত এই ডাটাবেজে একজন গর্ভবতী প্রসবপূর্ব, প্রসবকালীন এবং প্রসব পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে জানতে পারেন এবং সচেতনতা লাভ করেন। এরই ফলশ্রুতিতে বর্তমানে কাপাসিয়ায় মাতৃমৃত্যু হার ৯৯ ভাগ কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা, চিকিৎসা সেবায় রোগীদের সন্তুষ্টি, মেডিকেল অফিসার, ও উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, নার্সিং অফিসার,স্বাস্থ্যকর্মী সহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি, নিয়মশৃঙ্খলা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন দিক বিবেচনায় হাসপাতালটিকে অ্যাওয়ার্ডের জন্য নির্বাচন করা হয়।

হেলথ মিনিস্টার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড অর্জন করায় ডা. আব্দুস সালাম সরকার গাজীপুর -৪ আসনের এমপি সিমিন হোসেন রিমি, সিভিল সার্জন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এড মো আমানত হোসেন খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা ইসমত আরা, সহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তা, হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বাস্থ্যসেবা কমিটির সদস্যদের প্রতি হাসপাতাল পরিচালনায় সহযোগীতা প্রদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান মন্ত্রী বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ এ হাসপাতালে জমি অধিগ্রহণ করেছিল করে হাসপাতাল স্হাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন নামে নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সিমিন হোসেন রিমি এমপি নেতৃত্ব একটি শক্তিশালী টিক প্রায় ৪ বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চিকিৎসা সেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্হাপন করেন। যার ফলশ্রুতিতে এ হাসপাতাল প্রথম হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :