১০ হাজার মানুষের চলাচলে একমাত্র বাঁশের সাঁকো, দুর্ভোগ চরমে

বার্তাকক্ষবার্তাকক্ষ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৮:৫০ PM, ১৬ মার্চ ২০২১

এম এ ইউসুফ আলী, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের জাহাজমারা সমুদ্র সৈকতের পর্যটকসহ ৫টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষের নিত্যদিনের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা চরবগলা খালের ওপর বয়ে যাওয়া বাঁশের সাঁকোটি।
সাঁকোটি এলাকাবাসীর নিজ উদ্যোগে প্রায় ২৫ বছর আগে তৈরী করা হয়। এতে কিছুটা দূর্ভোগ লাগব হলেও প্রতিবছর নিজেদের অর্থায়নে সংস্কার করতে হয়। বর্তমানে সাঁকোটি নড়বড়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করে ৬টি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ জাহাজমারা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসা হাজারো পর্যটকরা।
নানা দুর্ভোগের কথা বলেন স্থানীয় বাসিন্দারা । তারা জানান, বছরের পর বছর ধরে গ্রামের মানুষ এই বাঁশের সাঁকো দিয়া চলাচল করে আসতেছে। রাতের বেলা টর্চ দিয়া পা টিপ টিপ করে চলা লাগে। পড়ে যাবার ভয় থাকে।’ এই সাঁকো দিয়ে অনেকেই পড়ে গেছেন। এভাবে জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে মানুষ চলাচল করে এই সাঁকো।
মৌডুবী মুখরবান্দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জানান, সাঁকো পার হয়ে আমাদের স্কুলে যেতে হয়। এই সাঁকো দিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় আমি কয়েকবার পানিতে পড়ে গেছি। সাঁকো পার হতে আমাদের ভয় করে। এখানে একটা ব্রিজ জরুরি দরকার।
এ বিষয়ে মৌডুবী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে এবং যাতে দ্রুত জনদুর্ভোগ লাগবে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয় এজন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বলা হবে।
এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির বলেন, আমি জরুরি কাজে ঢাকাতে আছি। আমি রাঙ্গাবালীতে এসে ঝুঁকিপূর্ণ ঐ সাঁকোটি সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখবো।

আপনার মতামত লিখুন :