বিএনপি-এ চয়েজ অফ নিউ জেনারেশন ||শাহাদাত হোসেন সেলিম

বার্তাকক্ষবার্তাকক্ষ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১২:১৭ AM, ২৭ এপ্রিল ২০২১

“দেশ গড়েছেন শহীদ জিয়া,নেত্রী মোদের খালেদা জিয়া’ এ শ্লোগান কে মনে প্রানে দিলে অন্তরে ধারন করে এক ঝাঁক তরুনের ৮৩ থেকে এগিয়ে চলা,সাথে দেশনেত্রীর দৃঢ়তা বিএনপি কে কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌঁছে দেয়।৯৫ সনের অপরিনামদর্শী আন্দোলন বিএনপির অগ্রযার্ত্রা কে ব্যহত করা হয়।কেয়ার টেকার সরকারের আন্দোলনের নামে যারা বিএনপির বিরোধিতা করেছিল পরবর্তী তে তাদের কঠিন মূল্য দিয়ে হয়েছে এখনো হচ্ছে,সে দিন সে বালখিল্য রাজনীতি না করে বিএনপির সঙ্গে থাকলে আজ ইতিহাস অন্য রকম লিখা হতো।

২০০১ এক সালে বিএনপি আবার বিপুল ভোটে দেশের দায়িত্ব লাভ করে।ব্যাপক অপ প্রচার এবং কিছুটা অদূরদর্শিতা,কিছু মানুষের নিমকহারামিপনায় ২০০৭ সালে বিএনপি পুনরায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়।তথাপি দেশনেত্রীর অপরিসীম দেশপ্রেম ও দৃঢ়তায় বিএনপি আবার ঘুরে দাঁড়ায়।২০০৮ সালের সাজানো নির্বাচনের পর ২০০৯ থেকে ২০১৫ অবধি বিএনপি ছিলো দেশের রাজনৈতিক চালিকাশক্তি। কিছু ভুলে,কিছু মহাভুলে,কিছু ঐতিহাসিক ভুলে বিএনপি আজ অনেকটা বিপযস্ত,তারপরও বিএনপি দেশের মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিক।হত্যা,গুম,খুন,মামলা,হামলা এত কিছুর পর ও বিএনপি এখনো তারুণ্যের প্রতিক।
” এ চয়েজ অফ নিউ জেনারেশন “।

দেশের জন্য,দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্যের জন্য,দেশ ও মানুষ বাঁচানোর জন্য বিএনপিকে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে।সংগঠন কে তৃনমুল থেকে শক্তি বৃদ্ধি করতে হবে।গঠনতন্ত্র কে যুগোপযোগী করে তা মানতে হবে কঠোরভাবে।সংগঠন কে গড়ে তুলতে হবে সম্পুর্ণ আধুনিক চিন্তা চেতনায়।আমি মনে করি ১৯ টি সাবেক বৃহত্তর জেলায় এক জন ভাইস চেয়ারম্যান,এক জন যুগ্ম মহাসচিব ও একজন সাংগঠনিক সম্পাদক পদ সৃষ্টি এবং তাদের দায়িত্বে জেলা, উপজেলা,ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে মুল দলের পাশাপাশি অংগ সংগঠন সমুহ ও সম্পুর্ন গনতান্ত্রিক উপায়ে পুর্নগঠন করা এখন সময়ের দাবী।

বিষন্ন মনে একটি কথা বলে লিখা টির উপসংহার টানবো।বিএনপি তিন তিন বার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে,আবারো ইনশাআল্লাহ রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে,রাষ্ট্র পরিচালনা অতি দূরহ কাজ।হাজারো সিদ্ধান্ত নিতে হয় তড়িৎ গতি তে।আর বর্তমানে বিএনপির সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত আসে একেবারেই সন্মূখ গতি তে।৯ টার ট্রেন কটায় ছাড়ে এ অবস্হা।কমিটি গঠন করার জন্য বহুরকমের গালভরা নামে টিম গঠন করা হয়।তাদের সাথে কথা বল্লে মনে হয় এত জটিল এতো ভারী তাদের দায়িত্ব সে তুলনায় আমেরিকার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব ডালভাত,এতো কঠিন তাদের কাজ তার চেয়ে বিনা অক্সিজেনে হিমালয় চড়া বা পাল ছেঁড়া তরী দিয়ে আটলান্টিক মহা সাগর পাড়ি দেওয়া অনেক সহজ।

দায়িত্বশীলরা হয়তো আগ্রহীদের ফোনকলে নিজকে কেউকেটা ভেবে এক ধরনের পূলক অনুভব করেন,বিনিময়ে সংগঠনের যে ——- মারা সারা তা উপলব্ধি করার সময় এখনই।

বিঃ দ্রঃ-বিএনপির কঠিন শুভাকাঙ্ক্ষী হিসাবে এ লেখা।

আপনার মতামত লিখুন :