আজ মহান মে দিবস

বার্তাকক্ষবার্তাকক্ষ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০২:৫৬ PM, ০১ মে ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ মহান মে দিবস। সারাদেশে ‘শ্রমিক-মালিক গড়বো দেশ, এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যে দিবসটি পালিত হচ্ছে। ১৮৮৬ সালের এ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটের শ্রমিকরা আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলন করে। এতে বহু শ্রমিক হতাহত হন। ওইদিন তাদের আত্মদানের মধ্য দিয়েই শ্রমিক শ্রেণির অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য শ্রমিকদের আত্মত্যাগের এ দিনটিকে তখন থেকেই সারা বিশ্বে ‘মে দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে বিশ্বব্যাপী সরকারি ছুটি থাকে এ দিন। বাংলাদেশেও আজ সরকারি ছুটি।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ এমপি ও দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা ঐতিহাসিক ঘটনাসমৃদ্ধ মহান মে দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যাপন উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় পয়লা মে এবং ১১ মে কর্মসূচি গ্রহণ করছে। কর্মসূচিগুলোর মধ্যে রয়েছে মে দিবসের শোভাযাত্রা, উদ্বোধন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সেমিনার, বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ।

দিবসটি উপলক্ষে বিকাল ৪টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৭টায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হবে। শোভাযাত্রায় সরকার, মালিক, শ্রমিকসহ সংগঠনের নেতারা ও শ্রমিকরা অংশ নেবেন। শোভাযাত্রাটি দৈনিক বাংলার মোড়ের শ্রম ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর পাশ দিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হবে।

মে দিবস উদ্যাপনের অংশ হিসেবে এ বছর সরকার প্রথমবারের মতো শ্রমিকদের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষা সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিল থেকে আগামী ১১ মে শ্রমিকদের মেধাবী সন্তানদের মধ্যে আর্থিক সহায়তা দেবেন।

দিবসটি উদ্যাপন উপলক্ষে শ্রম ভবন, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র ও রাজধানীর বিভিন্ন সড়কদ্বীপ ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড দিয়ে সাজানো হবে।

এছাড়া বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সমাবেশ, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, সেমিনারসহ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

 

আপনার মতামত লিখুন :