আগস্ট মাসে বাঙালি জাতির কলঙ্কতম অধ্যায়টি সামনে উঠে আসে: হাসান ইকবাল

ডেস্ক রিপোর্টডেস্ক রিপোর্ট
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৬:২৮ PM, ০২ অগাস্ট ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ইতালী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসান ইকবাল বলেন, আজকের এইদিনে আমি তাদের প্রতি ধিক্কার জানাই যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল এবং এর সাথে যারা সংযুক্ত ছিল। আমি মনে করি নিঃসন্দেহে আজকে যে আমরা যে বাংলাদেশে দেখছি এবং আমাদের যে বাঙালি জাতিসত্ত্বার যে অবস্থা তা সারা বিশ্বের কাছে যে মর্যাদা নিয়ে সারা বিশ্বের কাছে আমরা ঘাড় উঁচু করে নিজেকে বাঙালি জাতি বলে পরিচিত দিতে পারছি সেটা বঙ্গবন্ধুর অবদান। সুতরাং বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ; এটাকে আলাদা করার কোন জায়গায় নেই। এখন আমার কাছে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ যেই প্রশ্ন এই মাসে আমাকে তাড়া দেই সেটা হলো যে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পরে তারা বাংলাদেশকে হত্যা করতে চেয়েছিল, বাঙালি জাতি সত্তাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। আরেকটি হলো বঙ্গবন্ধু কিন্তু শাসক ছিল না। কারণ তিনি তার সব ভাষণে বলেছিলেন তিনি জন মানুষের তরে অর্থাৎ শোষিত মানুষের পক্ষে কাজ করেন। শোষিত মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য তিনি কাজ করে গিয়েছেন। এখন যদিও বাংলাদেশ সে স্বপ্নে অনেক দূর এগিয়েছে তারপরেও বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুকে হারিয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে হারানোর মধ্যে আমাদের সবচেয়ে বড় কলঙ্ক হচ্ছে, যে বাঙালি আমাদেরকে মুক্তি দান করলেন তাকে বাঙালি রক্ষা করতে পারলো না। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যদি আমরা খুব গভীরভাবে পর্যালোচনা করি তাহলে দেখতে পাবো যে, এই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীরা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে নস্যাৎ করবার জন্য তাদের কিছু অনুচর প্রবেশ করিয়েছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সামরিক বাহিনীর মধ্যে এবং রাজনৈতিক দলের মধ্যে। যাদেরকে আমরা বঙ্গবন্ধু হত্যার পরবর্তীকালে চিনতে পারলাম খুনি মোশতাক, জেনারেল জিয়াদের মতো ব্যক্তিকে। এখন তারা মুক্তিযুদ্ধের ভেতর অনুপ্রবেশ করে পাকিস্তানিদের অনুচর হয়ে যে কাজটি করছিল আমরা বাঙালি হয়ে তাদেরকে চিহ্নিত করতে পারেনি। তাদেরকে যেহেতু আমরা চিহ্নিত করতে পারেনি তাদের দ্বারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা সম্ভব হয়েছে। তো আমাদের আগামী দিনের জন্য আমরা মনে করছি বাঙালি জাতি সত্তা বা বাঙালি মুক্তির জন্য যে চেতনা সেটা বুকে ধারণ করে বা যারা ধারণ করে না বা এই ধারণকারীদের মধ্যে যেসকল অনুচরকারী প্রবেশ করেছে তাদের অবস্থান চিহ্নিত করা।

আপনার মতামত লিখুন :