রামগঞ্জে আগুনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই, প্রায় ত্রিশ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

বার্তাকক্ষবার্তাকক্ষ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:০৭ PM, ০৯ এপ্রিল ২০২২

মাহমুদ ফারুক, রামগঞ্জ: 

রামগঞ্জে কামারের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে একটি জুতার দোকান, একটি হোটেল, ৪টি কামারের দোকান, একটি জুয়েলার্স ও পাশবর্তি ডিজিটাল মডার্ণ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শনিবার (০৯ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক সাড়ে বারোটায় রামগঞ্জ সোনাপুর সড়কের পাট বাজার নামকস্থানে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শী মোঃ মাহমুদসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পাটবাজারস্থ মৃত্যুঞ্জয় কর্মকারের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত। মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়।
খবর পেয়ে কিছুক্ষণ পরেই রামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশনের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে প্রায় দেড়ঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনায় পাশের দোকানগুলো রক্ষা পায়। সংগঠিত আগুনে ৭টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ও ২ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আংশিক ক্ষতির সম্মুক্ষিণ হয়।

আগুনে আবদুল মালেকের জুতার দোকানের ১২লাখ টাকা, মাহমুদ মিয়ার নিরালা হোটেলে প্রায় ৩ লাখ টাকা, সঞ্জয় কর্মকারের ৫০ হাজার টাকা, অমূল্য কর্মকারের ৬০ হাজার টাকা, কেশব কর্মকারের ৬০ হাজার টাকা, মৃত্যুঞ্জয় কর্মকারের ৫০ হাজার টাকার মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এছাড়া বিমল স্বর্ণকার ও স্বপনের জুতার দোকানের প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানালেন তারা।

একই সময় ডিজিটাল মডার্ণ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ৪টি এসিসহ ভবনের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী করেন মালিক জামাল হোসেন পাটোয়ারী।
রামগঞ্জ ফায়ার ষ্টেশনের ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর কামরুল হাসান গণমাধ্যমকে জানান, আমরা প্রাথমিকভাবে ধারনা করছি বিদ্যুত থেকে আগুনের সূত্রপাত। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপন করা হবে।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক গণমাধ্যমকে জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় উৎসুক মানুষ আগুন নিয়ন্ত্রনে বড় বাধা হয়ে দেখা দেয়। ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের লোকদের কাজ করতেও বেগ পেতে হয়েছে ভিডিও করতে আসা লোকদের কারনে। পুলিশ সদস্যরা যানজট নিরসন ও আগুন নিয়ন্ত্রনে ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগীতা করেছেন। ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে।

রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবীবা মীরা গণমাধ্যমকে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা প্রস্তুত করার জন্য বলা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন চেষ্টা করবে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থদের সহযোগীতায় এগিয়ে আসতে।

আপনার মতামত লিখুন :