আলেকজান্ডার ইউনিয়নে হাতপাখার শক্ত অবস্থান, সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি

বার্তা কক্ষবার্তা কক্ষ
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১২:২১ AM, ০৭ জুন ২০২২

মোঃ সুমন উদ্দিন, রামগতি (লক্ষ্মীপুর):

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার ৪নং আলেকজান্ডার ইউনিয়ন পরিষদের উপ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মোঃ রিয়াজ হোসেনের শক্ত অবস্থান। অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। তিনি বলেন, নদীভাঙা কবলিত এই ইউনিয়নটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। জনগণ এবার পরিবর্তন চায়। গণসংযোগ ও পথসভায় জনগন ও ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। জনগন সৎ দুর্নীতিমুক্ত একজন চেয়ারম্যান চাচ্ছেন। জনগনের সেই আশা পূরণ করতে আমি প্রস্তুত রয়েছি। আশা করি ভোটাররা এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ও এলাকার উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সরকারী বরাদ্দ সঠিক ভাবে বন্টন করা সহ আলেকজান্ডার ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হাতপাখা প্রতীকে সমর্থন দিবেন।

সোমবার আমার খবর কে দেওয়া এক স্বাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ৪নং আলেকজান্ডার ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারী তিনি মৃত্যুবরন করলে চেয়ারম্যান পদটি শুন্য ঘোষনা করা হয়। এর পর তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

এতে আওয়ামী লীগ থেকে দলটির ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন (নৌকা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. রিয়াজ হোসেন (হাতপাখা) ও ২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে মোট ৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। কিন্তু মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন (২৬ মে) আওয়ামীলীগ সমর্থিত নৌকার প্রার্থী আকবর হোসেন তার ব্যক্তিগত সমস্যা দেখিয়ে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন।

এখন ওই ইউনিয়নে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তারা হলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সমর্থিত হাতপাখা প্রতীক নিয়ে মো. রিয়াজ হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে শামিম আব্বাস সুমন ও আবুল ফাতাহ। এদের মধ্যে হাতপাখা প্রতীকের মোঃ রিয়াজ হোসেন ভোটারদের সমর্থন আদায়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন, দিচ্ছেন নানান প্রতিশ্রুতি। গনসংযোগ ও পথসভায় প্রচুর সংখ্যক মানুষ উপস্থিত হতে দেখা গেছে। প্রচার প্রচারণা পুরোদমে চালিয়ে যাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকের শামীম আব্বাসও তিনিও ভোটারদের ধারে ধারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তবে অন্য প্রার্থীর তেমন একটা প্রচার প্রচারণা দেখা যায়নি। আগামী ১৫ জুন এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কাজী হেকমত আলী জানান, নির্ধারিত দিনে এই ইউনিয়নে অত্যান্ত সুশৃঙ্খল ভাবে একটি অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি সম্পুর্ন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :